Header Ads

আজ বাংলা
ইংরেজি

টিকেট অনলাইনে ; অতিরিক্তমূল্য কার পকেটে



বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর। প্রতিদিন শতশত দর্শনার্থীরা সেখানে যায়,বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য জানার উদ্দেশ্যে। 

করোনা মহামারির কারণে সাড়ে ৬ মাস পর, ১ নভেম্বর ২০২০ ইংরেজি খুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।


শর্ত দেওয়া হয় দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে , অনলাইনে টিকেট ক্রয় করতে হবে। সরাসরি টিকেট বিক্রি হবেনা। 


যার ফলে,সাধারণ দর্শনার্থী জাতীয় জাদুঘরে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

অনেকের স্মার্টফোন না থাকায় টিকেট ক্রয় করতে পারছেনা। তাদের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থী ও গ্রাম্য দর্শনার্থীদের সংখ্যা।


অনেকের আবার স্মার্টফোন আছে, ব্যাংকিংব্যবস্থা নেই। বিকাশ, রকেট, ডাচবাংলা এর কোনটাই নেই। সেসকল লোকরাও প্রবেশ করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। 


অনেকের সবব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে কি করতে হয় এটা জানেনা। 


এদের সবাই যখন টিকেট ক্রয়ে অক্ষম, তখন দারস্থ হতে হয় অন্যদের কাছে।

জাতীয় জাদুঘরে প্রবেশদ্বারের দায়িত্বশীলরা দেখিয়ে দেন,একটু দূরে বসে থাকা একটি দোকান। যেখানে গিয়ে বললে,তারা টিকেট ক্রয় করে দেয়। তবে ২০ টাকার টিকেট অতিরিক্ত মূল্য ৩০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হয়।


এতেকরে দেখা যায়, প্রতিদিন যদি ১০০ জন দর্শনার্থী বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে প্রবেশ করে। আর তন্মধ্যে ৭০ জন নিজে টিকেট ক্রয়ে অক্ষম হয়, তাহলে দেখা যায় ৭০০ টাকা অযথা খরচ হচ্ছে। যা সরাসরি টিকেট বিক্রি করলে হতো না।

এই সমস্যা সমাধানে কতৃপক্ষকে এবিষয়ে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

অনলাইনের সাথে আগের মতো জাদুঘরের টিকেট কাউন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হোক।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.