Header Ads

আজ বাংলা
ইংরেজি

দিনলিপি; ফজলুর রাহমান

ফজলুর রাহমান-
নিশুতি রাতের নীরন্দ্র আন্ধারের মাঝে হালকা শিতের প্রকোপে কান্তা গায়ে ঘুমিয়ে ছিলাম রাত ১২ : ৫০ মিনিটে, ভেলকনির ফর্দা দিয়ে আসা উদিত নবারুণের আলো চোখে পড়তেই জেগে উঠি ঘুম থেকে , দেয়ালে পোঁতা পেরেকের মাঝে ঝুলে থাকা গ্লাসহীন পুরনো ঘড়িটার দিকে তাকাতেই আঁতকে উঠি, ঘড়ির বেঁকে যাওয়া কাঁটা তখন নয়'র কোঠায়, আর মিনিটের কাঁটা ছয়'র অলিন্দে, কান্থা ফেলে দাড়িয়ে যাই, দরজা ঠেলে বাহিরে এসে দেখি প্রত্যুষের উদিত নবারুণ অরুণের রূপ ধারণ করেছে, ছড়িয়ে পড়া কিরণ কেমন যেন উঞ্চ হয়ে যাচ্ছে। বিস্ময় মাখা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালাম এক সাথীর দিকে, প্রশ্ন করলাম " কিরে ফজরের নামায পড়েছি আমরা?" সে ও বলল না তো, ভাগ্য ভালো ছিলো বলে বেঁচে গেছি, যদি যাত্রাবাড়ি বা মোমেনশাহী হুজুর আমাদের রুমের দিকে আসতেন তাহলে অবস্থাটা একেবারে খারাপ হয়ে যেত, রুমের একজন মানুষ ও বলতে পারিনি নিঝুম রাতের আবরণ ভেদ করে প্রত্যুষের সংবাদ দাতা দ্বীননাথ কিভাবে পূর্ব দূলোকের বুক ছিড়ে উদিত হলো, শুনেছি রাসুলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনে ও নাকি সাথী সহ ফজরের নামায কা'যা হয়েছিল, আজ আমাদের সাথে ঘটমান ঘটনা সুন্নাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লাম নাকি নিচক শয়তানের ধোঁকা, আল্লাহ মা'লুম,

বাদ ফজর হাটতে গিয়ে সূর্যের উষ্ণ কিরণে মুখে একটু জ্বালাতন শুরু হয়েছিল, বাধ্য হয়েই বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম, আমি আবার নতুন কিছু পেলে তা নিয়ে ভাবতে ভালবাসি, দমবদ্ধ গ্রামিণ পরিবেশে সূর্যের এ উষ্ণ কিরণ আমার কাছে একরকম নতুন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.